আনন দাস
(ছবি - ইন্টারনেট) আনন দেবব্রত ঘোষ মলয় প্রতিদিনের অভ্যাস মত বিকেল আর সন্ধ্যের মাঝামাঝি সময়টা ছাদে পায়চারি করছিলাম। ছাদ আমার কাছে এক বিস্ময়কর জায়গা, যেখানে যুগপৎ বাড়িতেও থাকা যায় আবার বাড়ির বাইরেও থাকা যায়। ছাদের পশ্চিম দিকে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম ছোট্ট পুকুরের উপর সবুজ পানার উপর কি নিশ্চিন্ত মনে একটা মাছরাঙ্গা পাখি ওত পেতে আছে মাছের প্রতীক্ষায়। পুকুরটার ঠিক ওপারেই একটা ঘন বাঁশঝাড়। এত দূর থেকেও দেখা যাচ্ছে একটা বড় মাকড়সার জাল তাতে ধরা পড়েছে একটা পোকা। পুকুরটার ঠিক উপর দিয়ে ঝটপট করে এক ঝাঁক পায়রা উড়ে এসে আমাদের ছাদে জলের ট্যাংক এর উপর বসে বকবকম করতে লাগলো। বেশ কয়েকটা ঘুড়ি এসে পড়েছে ছাদে যার সুতোটা ওই পুকুরের উপর দিয়ে বাঁশগাছ অবধি বিস্তৃত। এখন এই সুতোগুলো আর সুতো নয় সিনথেটিক, তার উপর কড়া মাঞ্জা, লোকমুখে চিনা মাঞ্জা। ফলে অনেক পশু পাখি এই সুতো তাদের গায়ে লেগে আহত হচ্ছে। এই সময়টা আমাদের পশ্চিম দিকের বাগানের গাছে অনেক পাখ পাখালির সমাবেশ হয়েছে। তাই আমি এই ধেরে বয়সেও ওই মাঞ্জা দেওয়া সিনথেটিক সুতোটাকে একটা ছোট কাঠের টুকরাতে গুটোতে শুরু করলাম এবং গুটাতে গুটাতে এ...